Kaiser Hamidul Haq (1950- )

- English - English Literature | NCTB BOOK
1.5k

Kaiser Hamidul Haq (1950 – )

Kaiser Huq জীবন ও কর্ম

কায়সার হক ১৯৫০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। তিনি ইউ.কে পোয়েট্রি সোসাইটির একজন স্থায়ী সদস্য। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কবি। তাঁর কবিতায় হাস্যরস আর ব্যঙ্গবিদ্রুপের এক সবিনয় মিশ্রণ কবিতাই লিখেন নি। তিনি গদ্যের জগতেও পা ফেলেছিলেন। কায়সার হক ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। এরপরেই তিনি ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসাবে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই অধ্যাপক হিসাবে নিয়োজিত রয়েছেন। ২০১৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এ ভূষিত হয়েছেন।

তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য কবিতার মাঝে রয়েছে-

(i) Ode on the Lungi
(ii) Learning Grief
(iii) Black Orchid
(iv) A Little Ado
(v) A Happy Farewell
(vi) Poor Man Eating
(vii) The Streets of Dhaka ইত্যাদি।

তিনি গদ্যও রচনা করেছেন। তাঁর লেখা বিখ্যাত গদ্যের মধ্যে রয়েছে-

  • Translation of Rabindranath Tagore's Novel Chaturanga
  • The Wonders of Vilayet an English Version of an 18th Century Indian's Impressions of Europe.

Learning Grief এর কাব্যিক মূল্যায়ন

  • এটি একটি স্মৃতিচারণমূলক কবিতা। এখানে তিনি জীবনে প্রথম মৃত্যুজনিত দুঃখানুভূতির কথা বর্ণনা করেছেন এবং অবশেষ দেখিয়েছেন যে, মৃত্যু আসলে তেমন কঠিন কোন বিষয় নয়। বরং এটা সবারই স্বাভাবিকভাবে নেয়া উচিৎ। এখানে আমরা দেখতে পাই যে, কবির বয়স যখন আট বছর ছিল তখনকার একটি ঘটনা যা হলো যে, একরাতে কবি বিছানায় শুয়েছিলেন এবং তখন তাঁর অসুস্থ দাদী বিছানায় ছিলেন শুয়ে, তাকে পানি দিতে কবির হাত ধরে টেনে তোলা হয়েছিল। তিতি তাকে পানির গ্লাস এগিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি তা পান করেন এবং কবি ঘুমিয়ে পরেন। এরপর যখন তিনি ঘুম থেকে জাগলেন তখন তিনি দেখলেন তাঁর চারপাশে কান্নার আওয়াজ শুনা যায়।
    আত্মীয় স্বজনরা কোরআন পাঠ করছে। আগরবাতি জ্বালানো হয়েছে যার গন্ধ পাওয় যাচ্ছে। তিনি দেখলেন যে, তাঁর বাবার চোখ লাল হয়ে আছে। যে চোখ সব সং কাঠিন্যে ভরা ছিল সেই চোখ যেন সেই দৃষ্টি প্রত্যাহার করেছিল তখন। তিনি আত্মীয়ের কাছে শুনলেন তাঁর বাবার মা অর্থাৎ কবির দাদি মারা গেছেন। তিনি যেন আজো সেই অনুভূতির কথা মনে করতে পারেন। তিনি মনে করতেন যে, তিনি যে দুঃখ তখন পেয়েছিলেন তাতে যেন তাঁর জীবন থেমে যাবে কিন্তু তা হয়নি। এখনো জীবনের ঘড়ি চলছে টিকটিক করে। আজ তিনি মনে করেন যে, আসলে মৃত্যু তেমন কিছুই নয়, বরং এট একটি মহৎ বা সাধারণ বিষয়।
    কবি এখানে বলেছেন যে, তাঁর দাদির মৃত্যুর পর তিনি এক বিশাল দুঃখ পেয়েছিলেন। এরপর তাঁর পরিবারে একটি বোনের জন্ম হয় কিন্তু হঠাৎ করে যেমন আকাশে নব জন চাঁদ মেঘে ঢেকে দেয় তেমন করে যেন তার জীবন মৃত্যু তার কালো ছায়ায় ঢেকে দিয়েছিল। কবির মা এমন বিলাম করেছিলেন যেন রাত বিলোপে ভারী হয়ে গিয়েছিল। এরপর থেকে কবি বিষন্নতায় ভুগতেন সব সময়। তখন কবির বয়স ছিল দশ বছর। তিনি যে বিদ্যালয়ে ক্লাস করতেন সেখানে শ্রেণিকক্ষে ছিল যীশুখ্রিষ্টের ক্রুশ বিদ্ধ একট প্রতিরূপ। সেই প্রতিমূর্তির নিচে তিনি বিষণ্ণ ক্লাস করতেন দিনের পর দিন। তিমি দেখতেন বন্ধুরা মাঠে খেলত, কৌতুক করত। তখন তিনি ভাবতেন হয়তো তিনি আর আগের মতো হাসতে পারবেন না। যারা তাঁর কাছেল জন ছিল তারা সবাই চলে গেছেন। তেমন অনুভব হতে থাকল যতদিন না সেই অনুভূতি পরিবর্তনের দিন না আসে। একসময় তিনি বড় হলেন। জীবনের সেই দুঃখ ঘড়ি যেন তখনো চলতে থাকল। আজো দুঃখের গল্প করেন তিনি কিন্তু তা বর্ণনা করা যেন কোন কৌতুকের মতো মনে হয়। তিনি আজ মুসকি হাসেন তাঁর প্রথম দুঃখানুভব করার কথা ভেবে। মূলত, এখানে কবি এটাই দেখাতে চেয়েছেন যে, মৃত্যু আসলে তিনি মৃত্যুর গল্পকে কৌতুক বালার সাথে তুলনা করেছেন। জীবনের প্রথম দিকে দুঃখানুভূতির সাথে পরবর্তী দুঃখানুভূতির তুলনা করে কবি এটা সুস্পষ্ট করে প্রকাশ করেন যে, কিভাবে ধীরে ধীরে তিনি দুঃখানুভূতি সহ্য করার শিক্ষা অর্জন করেছিলেন।
Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...